আমিরাতে ভিসা প্রায় বন্ধ, সুরাহার উদ্যোগ নেই Reviewed by Momizat on . কর্মসংস্থান, পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার পর এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ট্রানজিট ভিসাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে দেশটিত কর্মসংস্থান, পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার পর এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ট্রানজিট ভিসাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে দেশটিত Rating: 0
You Are Here: Home » ভিসা বিষয়ক » আমিরাতে ভিসা প্রায় বন্ধ, সুরাহার উদ্যোগ নেই

আমিরাতে ভিসা প্রায় বন্ধ, সুরাহার উদ্যোগ নেই

Bangladesh-United-Arab-Emiratesকর্মসংস্থান, পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার পর এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ট্রানজিট ভিসাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে দেশটিতে ট্রানজিট ভিসা পাচ্ছেন না বাংলাদেশের নাগরিকেরা। শুধু বিশেষ পরিস্থিতিতে শর্ত সাপেক্ষে সীমিত আকারে ভিসা দেওয়া হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাতে ২০১২ সালের আগস্টে বাংলাদেশের নাগরিকদের কর্মসংস্থান ভিসা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। গত বছরের নভেম্বরে বন্ধ হয়ে যায় ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ভিসা। বিশেষ পরিস্থিতিতে শুধু ঢাকার দূতাবাসের মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে এখন ভিসা দেওয়া হচ্ছে।
তবে কর্মসংস্থান ভিসা বন্ধ থাকলেও দেশটিতে বাংলাদেশের নারীদের কর্মসংস্থান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা বন্ধ হয়ে গেলেও তা খোলার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কোনো উদ্যোগ নেই।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আমিরাতে বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে অপরাধমূলক তৎপরতার ওপরের সারিতেই রয়েছেন বাংলাদেশিরা। সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি নৃশংস খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের নাগরিকেরা। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে পতিতালয় ব্যবসা চালানো, গৃহপরিচারিকাদের জোর করে যৌন পেশায় বাধ্য করা, মানব পাচার, চুরি-ডাকাতি, নিষিদ্ধ পণ্যের চোরাচালান, মারামারি ও জুয়াসহ নানা ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে সে দেশে ফাঁসির অপেক্ষায় আছেন ১৯ জন বাংলাদেশি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন ১০৪ জন। আট শতাধিক বাংলাদেশি বিভিন্ন অপরাধে নানা মেয়াদে কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব করেছে আমিরাত। দেশটি সাজা পাওয়া আসামি হস্তান্তর এবং নিরাপত্তা ও অপরাধমূলক তৎপরতার তথ্য বিনিময়ে চুক্তি করারও প্রস্তাব দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, বিশেষ করে ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির দ্বিতীয় প্রধান বাজার ছিল আমিরাত। প্রতিবছর দেশটিতে যাচ্ছিলেন দুই লাখ বাংলাদেশি। তবে ভিসা বন্ধ হওয়ার পর এ বাজার হারাতে বসেছে বাংলাদেশ। ২০১২ সালেও দুই লাখ ১৫ হাজার বাংলাদেশি সে দেশে গেছেন। আর ২০১৩ সালে গেছেন মাত্র ১৪ হাজার ২৪১ জন।

এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Read previous post:
সমুদ্রের পানিকে পান যোগ্য করার উপায় উদ্ভাবন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুইজন ছাত্র রেজাউল করিম শাওন ও সেফায়েত হোসেন সৌরভ মিলে...

Close
Scroll to top