কর্তৃপক্ষের অবহেলায় চরম ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ বিমান চলাচল Reviewed by Momizat on . কক্সবাজার শহরে নির্মিত বহুতল কোন ভবনেই শর্ত মানা হচ্ছে না। ভবনগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসিক ফ্ল্যাট, তারকা মানের হোটেল ও বিভিন্ন অফিস। বাড়ছে শহরতলীর পাশেই অবস্থিত বি কক্সবাজার শহরে নির্মিত বহুতল কোন ভবনেই শর্ত মানা হচ্ছে না। ভবনগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসিক ফ্ল্যাট, তারকা মানের হোটেল ও বিভিন্ন অফিস। বাড়ছে শহরতলীর পাশেই অবস্থিত বি Rating: 0
You Are Here: Home » বিমানের খবর » কর্তৃপক্ষের অবহেলায় চরম ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ বিমান চলাচল

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় চরম ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ বিমান চলাচল

coxbajar-Airportকক্সবাজার শহরে নির্মিত বহুতল কোন ভবনেই শর্ত মানা হচ্ছে না। ভবনগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসিক ফ্ল্যাট, তারকা মানের হোটেল ও বিভিন্ন অফিস। বাড়ছে শহরতলীর পাশেই অবস্থিত বিমান বন্দরের ঝুঁকি।

কক্সবাজার শহর ও পৌর এলাকায় বহুতল ভবন নির্মান করতে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমোদন ও ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তজুড়ে দিয়ে কর্তৃপক্ষ এসব অনুমোদন বা ছাড়পত্র গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করে থাকেন। কক্সবাজারের প্রাণকেন্দ্র শহরতলীর পাশেই অবস্থান রয়েছে বিমান বন্দরের। আর একারণে বন্দর হতে আশপাশে ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোন বহুতল ভবন নির্মাণ করতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট হতে ছাড় পত্র নিতে হয়। ছাড়পত্রে শর্ত হিসেবে উল্লেখ থাকে ভবনটি নির্মাণের পরে ওই ভবনের ছাদে একটি করে লাল প্রতিবন্ধক বাতি লাগাতে হবে। নিরাপদ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের স্বার্থে এটি লাগানো হয়ে থাকে। সেখানে আরোও উল্লেখ রয়েছে যে, লাল প্রতিবন্ধক বাতিটি প্রতিদিন সুর্যাস্ত থেকে সুর্যোদয় পর্যন্ত জ্বালিয়ে রাখতে হবে। এবং খারাপ আবাহাওয়ায় সবসময় জ্বালিয়ে রাখতে হবে।

বিমান বন্দরের আশপাশের ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে শহরের কোন ভবনেই এই লাল প্রতিবন্ধক বাতি লাগানো হয়নি। অন্যদিকে এই গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ না করেই বহুতল ভবনগুলোর অধিকাংশই বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। এমনকি বিমান উড্ডয়ন অবতরণের রেঞ্জের মধ্যে অবস্থিত নামী দামী প্রভাবশালী তারকা মানের হোটেল কক্সটুডে, সী-গাল, সী প্যালেস, ওশান প্যারাডাইস, প্রাসাদ প্যারাডাইস, লংবীচ, সী ক্রাউন, সী কুইন, সিলভার সাইন ও কল্লোলের মত বহুতল ভবন।

হোটেল গুলোর মধ্যে আবার অনেকেই বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র সংগ্রহ করেনি। কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে নির্দিষ্ট এলাকার বহুতল ভবনগুলোর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দেড়শ ভবন ছাড়পত্র সংগ্রহ করেছে। অথচ এই এলাকায় কয়েক হাজার বহুতল ভবন রয়েছে। এব্যাপারে কক্সবাজার বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষও রয়েছে বেখবর। উল্লেখিত হোটেল গুলোর প্রত্যেকের কাছে খোজ নিয়ে জানা যায়, এদের কেউ বিমান কর্তৃপক্ষ হতে ছাড়পত্র সংগ্রহ করেনি। আর যারা সংগ্রহ করেছে তাদের অধিকাংশই নির্মাণাধীন।

কাজের ব্যাস্ততা ও জনবল সংকটের দোহাই দিয়ে কক্সবাজার বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারটি দীর্ঘদিন ধরে এড়িয়ে চলছেন। কর্তৃপক্ষের এই অবহেলার কারণে প্রতিদিন ৮/১০টি বিমান চরম ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ ভাবে চলাচল করছে। কক্সবাজার বিমান বন্দর হতে প্রতিদিন বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ৮/১০টি বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে থাকে। এগুলোর প্রত্যেকটি চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করায় যেকোন মুহুর্তে বড়ধরণের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।

বহুতল ভবনের চূড়ায় লাল প্রতিবন্ধক বাতি লাগানোর ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ যেমন রয়েছে নিশ্চুপ অন্যদিকে বাড়তি খরচের কথা চিন্তা করে নির্মিত ভবন কর্তৃপক্ষও শর্ত লঙগন করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এই বাতিটি স্থাপন করতে ১৫/২০ হাজার টাকা মত খরচ হয় বলে জানিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Read previous post:
শতাধিক ‘ধ্বংসাবশেষের’ খোঁজে অভিযান

এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর নতুন করে কৃত্রিম উপগ্রহ ধরা পড়া শতাধিক ‘ধ্বংসাবশেষের’ খোঁজে তল্লাশি কাজ জোরদার...

Close
Scroll to top