‘নেপাল পর্বত’ এর তালিকায় নেই মুহিত-ওয়াসফিয়াও! Reviewed by Momizat on . বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ীদের নিয়ে প্রকাশিত নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশনা ‘নেপাল পর্বত’-এ মুসা ইব্রাহিমের নাম যেমন নেই, তেমনি ২০১১ বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ীদের নিয়ে প্রকাশিত নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশনা ‘নেপাল পর্বত’-এ মুসা ইব্রাহিমের নাম যেমন নেই, তেমনি ২০১১ Rating: 0
You Are Here: Home » দেশের খবর » ‘নেপাল পর্বত’ এর তালিকায় নেই মুহিত-ওয়াসফিয়াও!

‘নেপাল পর্বত’ এর তালিকায় নেই মুহিত-ওয়াসফিয়াও!

Musa Ibrahimবিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ীদের নিয়ে প্রকাশিত নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশনা ‘নেপাল পর্বত’-এ মুসা ইব্রাহিমের নাম যেমন নেই, তেমনি ২০১১ সালে এভারেস্টজয়ী এমএ মুহিত ও ২০১২ সালে ওঠা ওয়াসফিয়া নাজরিনের নামও পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী মুসা ইব্রাহিমের নাম ‘নেপাল পর্বত’-এ নেই। শুধু মুসা ইব্রাহিমই নন, তালিকায় নেই মুহিত ও ওয়াসফিয়াও।

এভারেস্টে তিব্বত ও নেপাল—দু’দিক দিয়েই ওঠা যায়। এ প্রকাশনায় শুধুমাত্র নেপাল থেকে এভারেস্ট বিজয়ীদের নামই প্রকাশিত হয়েছে। মুহিত ২০১১ সালে প্রথমবার উঠেছেন তিব্বত দিয়ে। ওই সময়ের তালিকায় তাদের নাম নেই।

মুহিত এবং নিশাত যৌথভাবে ২০১২ সালে উঠেছেন নেপাল দিয়ে, এজন্য ওই সময়ে তাদের নাম পাওয়া গেছে। ২০১১ সালে মুহিতের এভারেস্ট জয়ের তথ্য ‘নেপাল পর্বত’ এ নেই।

২০১০-এ মুসা ও ২০১১ সালে এম এ মুহিত তিব্বত মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে নর্থ ফেস দিয়ে এভারেস্ট জয় করেন। ২০১২ সালে নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে নিশাত মজুমদার এবং তিব্বত মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে ওয়াসফিয়া এভারেস্ট জয় করেন।

নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন প্রকাশিত বইতে ওয়াসফিয়ার নামও পাওয়া যায়নি। বইটিতে শুধু নেপাল থেকে এভারেস্টবিজয়ীদের নামই প্রকাশিত হয়েছে।

মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয় নিয়ে সাম্প্রতিক এ দ্বন্দ্বের সূত্র, বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং ট্রেকিং ক্লাব (বিএমটিসি) এবং নর্থ আলপাইন ক্লাবের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলে আসছে।

মুসা ইব্রাহিম বিএমটিসি থেকে নর্থ আলপাইনে চলে আসার পর এ দ্বন্দ্ব আরও জোরালো হয়।

নর্থ আলপাইন ক্লাব থেকেই ২০১০ সালে অ্যাভারেস্টজয়ী হন মুসা। মুসার এভারেস্ট জয়ের সংবাদ পৌঁছার পরই ঘোর আপত্তি জানায় বিএমটিসি। তাদের দাবি, মুসা এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে পারেন নি। এ নিয়ে বিএমটিসি’র সদস্যরা ফেসবুক ও ব্লগে দাবি করেন যে, মুসা প্রতারণা করে নিজেকে এভারেস্টজয়ী দাবি করছেন।

এ বিতর্কের জের ধরে অনলাইনে মুসার পক্ষে দালিলিক কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেন তার বন্ধু এবং নর্থ আলপাইনের সদস্যরা।

দুই অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের দ্বন্দ্ব থেকেই মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে। আর এ বিতর্কে ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Read previous post:
জাতীয় জাদুঘরে আগুন, সংরক্ষিত কোনো নিদর্শন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি

জাতীয় জাদুঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সংরক্ষিত কোনো নিদর্শন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। আগুন লাগার আধা ঘণ্টার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনে...

Close
Scroll to top