টেকনাফ

প্রধান সড়কের পাশ ঘেঁষে উঁচু-নিচু বিশাল পাহাড়। এই পাহাড়ের নিচে বিশাল গর্জনবাগান। সড়কের পূর্ব পাশে নাফ নদী। তারপর মিয়ানমার সীমান্ত। নীল জলের শান্ত নাফ নদীতে পালতোলা নৌকা আর জেলেদের মাছ ধরার প্রতিযোগিতা, পাহাড়ের পাশে নির্জন সবুজ বনে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। এ রকম আনন্দ উপভোগ করতে হলে আপনাকে যেতে হবে দেশের সর্বদক্ষিণ সীমান্ত শহর টেকনাফের গেম রিজার্ভে। সবাই টেকনাফে আসেন সমুদ্রের দৃশ্য উপভোগ করতে। তবে এখানকার বনানীর আকর্ষণও কম নয়। এখানে আছে হেঁটে ঘুরে দেখার মতো বেশ কিছু জায়গা।

কক্সবাজার শহর থেকে ৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণে টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় মুছনী গ্রামে গেম রিজার্ভের অবস্থান। এটি দেশের একমাত্র গেম রিজার্ভ। সড়কপথে কক্সবাজার শহর থেকে সেখানে যেতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। বিশাল এই গেম রিজার্ভ ঘুরে আপনি প্রকৃতি, বন্য পশুপাখি, গাছপালা, ফল-ফুলসহ নানা দুর্লভ দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।

টেকনাফের অবস্থান ২০.৮৬৬৭° উত্তর এবং ৯২.৩০০০° পূর্ব। মোট আয়তন ৩৮৮.৬৮ বর্গ কিলোমিটার। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্তসীমা এবং এ উপজেলার সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত। টেকনাফ উপজেলার উত্তরে উখিয়া উপজেলা, পূর্বে নাফ নদ ও মায়ানমার সীমান্ত এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর।

কুদুম গুহা
গেম রিজার্ভের অভ্যন্তরে রইক্ষ্যং এলাকায় কিংবদন্তির কুদুমগুহা অবস্থিত। দুর্গম পাহাড় অতিক্রম করে কুদুম গুহায় যেতে হলে অবশ্যই বনপ্রহরী সঙ্গে নিতে হবে।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Scroll to top