বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে দীর্ঘ লাইন, পর্যাপ্ত স্ক্যানার নেই Reviewed by Momizat on . চার বছর আগে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট চালু করা হলেও তা ব্যবহারে প্রয়োজনীয় স্ক্যানার বসানো হয়নি বিমানবন্দরে। ফলে ইমিগ্রেশনে রয়ে গেছে যাত্রী ভোগান্তি। যন্ত্রে পাঠয চার বছর আগে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট চালু করা হলেও তা ব্যবহারে প্রয়োজনীয় স্ক্যানার বসানো হয়নি বিমানবন্দরে। ফলে ইমিগ্রেশনে রয়ে গেছে যাত্রী ভোগান্তি। যন্ত্রে পাঠয Rating: 0
You Are Here: Home » বিমানের খবর » বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে দীর্ঘ লাইন, পর্যাপ্ত স্ক্যানার নেই

বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে দীর্ঘ লাইন, পর্যাপ্ত স্ক্যানার নেই

Air Portচার বছর আগে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট চালু করা হলেও তা ব্যবহারে প্রয়োজনীয় স্ক্যানার বসানো হয়নি বিমানবন্দরে। ফলে ইমিগ্রেশনে রয়ে গেছে যাত্রী ভোগান্তি।

যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট বা এমআরপি থাকলে যাত্রীরা স্বভাবতই ইমিগ্রেশন পার হয়ে যান দ্রুত। উন্নত বিশ্বে এই পদ্ধতিতেই যাত্রীরা পার হন বন্দর।

বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পার হওয়ার মানসম্মত সময় তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট। বাংলাদেশের প্রধান বিমানবন্দরে এই সময়টা কখনো হয়ে যায় আধা ঘণ্টা বা তার চেয়ে বেশি।

যাত্রীদের এই ভোগান্তির কথা অস্বীকার করে না বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও।

এমআরপি পর্যাপ্ত স্ক্যানিং মেশিন না থাকাই এর কারণ। ২০১০ সালে ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ রকম পনেরোটি যন্ত্র বসানো হলেও অকেজো হয়ে গেছে দশটি।

এসব স্ক্যানিং মেশিন বসানোর দায়িত্ব পাসপোর্ট অফিসের। পাসপোর্ট অফিসের সূত্র, নতুন স্ক্যানার মেশিন কেনার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে গোটা কাজ শেষ করতে অন্তত এক বছর সময় লাগবে।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Read previous post:
নিবিড় ছায়ার অরুনিমা রিসোর্ট

পানির গভীর স্পর্শ আর সবুজের নিবিড় ছায়ায় আচ্ছাদিত এই অরুনিমা রিসোর্ট। পাখির কলকাকলিতে মূখরিত। পানির মাঝখানে মেঠো পথ চলে গেছে। পথের...

Close
Scroll to top