মানুষ আর কুমিরের বন্ধুত্ব! Reviewed by Momizat on . আফ্রিকা মহাদেশের ঘানার ছোট্ট একটি গ্রামে ঘটে চলেছে বিরল এই বন্ধুত্বের ঘটনা। গ্রামটির নাম ‘পাগার’। এখানকার অধিবাসীরা বছরের পর বছর ধরে কুমিরের সাথে শান্তিপূর্ণভাব আফ্রিকা মহাদেশের ঘানার ছোট্ট একটি গ্রামে ঘটে চলেছে বিরল এই বন্ধুত্বের ঘটনা। গ্রামটির নাম ‘পাগার’। এখানকার অধিবাসীরা বছরের পর বছর ধরে কুমিরের সাথে শান্তিপূর্ণভাব Rating: 0
You Are Here: Home » বিদেশ ভ্রমন » মানুষ আর কুমিরের বন্ধুত্ব!

মানুষ আর কুমিরের বন্ধুত্ব!

amazing-village-paga-ghana-paga-crocodile-pondআফ্রিকা মহাদেশের ঘানার ছোট্ট একটি গ্রামে ঘটে চলেছে বিরল এই বন্ধুত্বের ঘটনা। গ্রামটির নাম ‘পাগার’। এখানকার অধিবাসীরা বছরের পর বছর ধরে কুমিরের সাথে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে চলেছে। মানুষের পাশাপাশি গ্রামটিতে রয়েছে প্রায় শ খানেক কুমির।

মানুষ ও কুমিরের মধ্যে বিরল এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দেখে প্রাণিবিজ্ঞানীরাও হতবাক। যা তাদের কাছে খুবই রহস্যের একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত।

স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রতিটি গ্রামবাসীর আত্মার সাথে এক একটি কুমিরের সম্পর্ক রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় একজন সুপরিচিত ব্যক্তির  মৃত্যু ও একটি কুমিরের মৃত্যু একই সময়ে হয়েছিল। গ্রামবাসীর দৃঢ়  বিশ্বাস যে, কুমিরগুলো তাদের গ্রামের মৃত আত্মীয়স্বজনেরই আত্মা।

সবথেকে অবাক করার বিষয় যে এই গ্রামটি কোন নদী-নালা বেষ্টিত নয়। গ্রামের চারিদিকে স্থলপথ বেষ্টিত । এখানকার একটি পুকুরেই কেবল এ কুমিরগুলোর বসবাস।

আজ থেকে কত বছর আগে কুমিরগুলো এই গ্রামে এসেছে সে বিষয়ে সঠিক কোনো তথ্য কারো জানা নেই। স্থানীয় কিংবদন্তি অনুসারে এই অঞ্চলে প্রথম যে মানুষটি বসবাস করতে এসেছিল সেই মানুষটির দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্ত ও তৃষ্ণার্ত হয়ে প্রাণ প্রায় যায় যায় অবস্থা। এমন সময় একটি কুমিরকে অনুসরণ করে সেই লোকটি পুকুরের সন্ধান পায় এবং প্রাণে বেঁচে যায়। প্রতিদানে তিনি এ অঞ্চলের কুমিরগুলোকে পবিত্র ঘোষণা করেছিলেন এবং নিজের লোকজনের কাছে এই প্রাণীকে একটি বিশেষ সম্মানে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। এখনো পাগারে কুমির হত্যা করা বা তাদের আঘাত করা ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ। কিংবদন্তি অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, এ অঞ্চলে কুমিরের বসবাস মানুষের বসবাস শুরু হওয়ার পূর্ব থেকেই।

amazing-village-paga-ghana-paga-crocodile-pond.বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় পাগারের এই বিচিত্র কুমিরের কথা জানতে পেরে দেশ বিদেশের অসংখ্য পর্যটক প্রতি বছর এই গ্রামে আসেন।এ গ্রামটি ঘানার অন্যতম একটি পর্যটন অঞ্চল। প্রতিদিনই বেশ অনেক পর্যটক এখানে আসেন। তাদের জন্য প্রতিদিন কুমিরের পুকুরে কুমির প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়। একজন প্রদর্শক বাঁশি বাজান কুমিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। তারপর জীবন্ত মুরগি ছানা দোলাতে থাকেন, যাতে কুমির পানির ওপরে বেরিয়ে আসে। প্রদর্শক কুমিরকে খাওয়ানোর পর শুরু হয় সবচেয়ে অবিশ্বাস্য ব্যাপার, ইচ্ছুক পর্যটকরা এ সময় কুমিরের শরীর ছুঁতে পারেন, আদর করতে পারেন, এমনকি অনেকে পিঠে চড়েও বসেন।

??????????????????????কুমির দেখতে আসা পর্যটকরা গ্রামবাসীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Read previous post:
শীতলক্ষ্যা সেতু ও পার্ক নির্মাণ, নারায়ণগঞ্জ

বিভিন্ন মহল থেকে ইতিমধ্যেই সাড়া পড়েছে পাঁচ থেকে বিশ বছরের নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন প্রকল্পের কথা। এরই ধারবাহিকতায় শীতলক্ষ্যা সেতু ও পার্ক...

Close
Scroll to top