৪৬ এজেন্সি এ বছর হজযাত্রী পাঠাতে পারবে না Reviewed by Momizat on . চলতি বছর বাংলাদেশের ৪৬টি হজ এজেন্সি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। সৌদি আবর সরকার এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মানব পাচারসহ নানা ধরনের অভিযোগ তুলেছে। এরই পরিপ চলতি বছর বাংলাদেশের ৪৬টি হজ এজেন্সি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। সৌদি আবর সরকার এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মানব পাচারসহ নানা ধরনের অভিযোগ তুলেছে। এরই পরিপ Rating: 0
You Are Here: Home » ট্রাভেল এজেন্ট খবর » ৪৬ এজেন্সি এ বছর হজযাত্রী পাঠাতে পারবে না

৪৬ এজেন্সি এ বছর হজযাত্রী পাঠাতে পারবে না

Hajjচলতি বছর বাংলাদেশের ৪৬টি হজ এজেন্সি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। সৌদি আবর সরকার এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে মানব পাচারসহ নানা ধরনের অভিযোগ তুলেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত এজেন্সিগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এতে ওই এজেন্সিগুলো চলতি বছর কোনো হজযাত্রী সৌদি আরবে পাঠাতে পারবে না। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি সৌদি হজ মন্ত্রণালয় এক চিঠিতে বাংলাদেশ সরকারকে জানায়, বাংলাদেশী ৪৬টি এজেন্সি হজের নামে মানব পাচার করছে। গত বছর এসব এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালন করতে গিয়ে মোট ২৬২ জন বাংলাদেশী দেশটিতে অবৈধভাবে রয়ে গেছে।

অভিযুক্ত এজেন্সিগুলো এবার হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে না পারার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাহার।

বাংলাদেশ থেকে ২০১৩ সালে ৬২৮টি হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৮৭ হাজার ৭৫৪ নারী-পুরুষ হজ পালন করতে যান। এর মধ্যে অভিযুক্ত ওই এজেন্সিগুলোও ছিল। জানা গেছে, অভিযুক্ত এজেন্সিগুলোর বেশির ভাগই নতুন লাইসেন্সপ্রাপ্ত। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে সৌদি সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায় থেকেও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ জমা পড়ে। প্রাথমিক হিসাবে অভিযোগের সংখ্যা ৫০০-এর বেশি। এর মধ্যে অনেক অভিযোগের নিষ্পত্তি তাত্ক্ষণিকভাবে করা হয়। মক্কা হজ মিশনেও অনেক অভিযোগ তাত্ক্ষণিক খারিজ করে দেয়। শুধু গুরুতর অভিযোগগুলোই আমলে নেয়া হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ৪৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হজের নামে সৌদি আরবে গিয়ে ফিরে না আসা ব্যক্তির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ক্যাসকাডি ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের। এ এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে গিয়ে ফিরে আসেননি ৯১ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস। এজেন্সিটির ফিরে না আসা ব্যক্তির সংখ্যা ৭৪। এছাড়া জানুস ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস এজেন্সির ৫২ জন, কাবা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের ১৯, মুনিরা ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের ৪০, ফাহমিদা ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের ৫, এমএস ফিজা এয়ার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের ১৩, রয়েল এয়ার সার্ভিসের ৩, ফার্স্টওয়ান ইন্টারন্যাশনালের ২, এয়ার কানেকশন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের ৪, ইমাম ট্রাাভেলসের ২, ইরানা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সির ৫ ও মেসার্স আল জিয়া এয়ার ইন্টারন্যাশনালের চারজন হজযাত্রী দেশে না ফিরে সৌদিতেই রয়ে গেছেন।

সৌদি সরকার ৪৬টি এজেন্সির বিরুদ্ধে মানব পাচারসহ যেসব গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ এনেছে, সেসব অভিযোগের নিষ্পত্তি হতে আগামী রমজান মাস পার হয়ে যাবে। তাই এ বছর এজেন্সিগুলো হজযাত্রী পরিবহন করতে পারছে না। সৌদি সরকার তাদের যে শাস্তি দেবে, সেটা কার্যক্রর করা হবে। এছাড়া সৌদি সরকারের শাস্তির বিরুদ্ধে এজেন্সিগুলোর আপিলেরও কোনো সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত হজ এজেন্সিগুলোর মধ্যে ১৯৪টির বিরুদ্ধে হাজিদের সঙ্গে প্রতারণাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। এজন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি গত ৪-৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে অভিযুক্তদের ডেকে শুনানি করে। শুনানিতে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ প্রমাণ হলে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ যথাক্রমে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৬ ও ২ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯১ হাজার ৭৫৮ ব্যক্তি হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

© 2011-2013 Powered By BDTRAVELNEWS.COM

Read previous post:
রোবট প্রতিবেদক!

দিন দিনই বাড়ছে যন্ত্রমানবের বহুমুখী ব্যবহার। প্রয়োজন পূরণে এই যন্ত্রমানব নিয়ে চলছে নানা মাত্রিক গবেষণা। সেই গবেষণার ফসল হিসেবেই আন্তর্জাতিক...

Close
Scroll to top