SLOT

Bangladesh Tours & Travel first online News Paper : Bangladesh Tour spot news, embassy news, hotel news, Air lines news
 

ঢাকা-না.গঞ্জ-গাজীপুর-চট্টগ্রামে পশুর হাট না বসানোর পরামর্শ

Jul-11, 2020 বিডি ট্রাভেল নিউজ ডেস্ক দেশের খবর

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা দেশ। করোনা সংক্রমণের এমন পরিস্থিতিতেই আসন্ন ঈদুল আজহা (কোরবানির ঈদ) উদযাপন করবে দেশবাসী। করোনার এমন সময়ে এ ঈদে কীভাবে পশুর হাট বসবে, তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

তবে করোনার ব্যাপক বিস্তার রোধে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে পশুর হাট না বসানোর পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ বিষয়ে গঠিত জাতীয় কমিটি। এছাড়া করোনার বিস্তার রোধে ঈদের ছুটিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম থেকে অন্যান্য স্থানে যাতায়াত না করার জন্যও পরামর্শ দিয়েছে তারা।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১০ জুলাই) কোভিড-১৯ জাতীয় পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মীরজা‌দি সে‌ব্রিনা ফ্লোরা স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের কাছে তাদের এ সুপারিশ পেশ করেন।

তবে পশুর হাট না বসিয়ে কীভাবে পশু কেনাবেচা করা যায় এ বিষয়ে কমিটির পরামর্শ হলো- ডিজিটাল পদ্ধতিতে কোরবানির পশু কেনাবেচার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

তবে দেশের অন্যান্য স্থানে সংক্রমণ প্রতিরোধ নীতিমালা অনুযায়ী কোরবানির পশুর হাট বসানো যেতে পারে।

কোরবানির পশুর হাট স্থাপন ও পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রেও কয়েকটি সুপারিশ করেন তারা। সেগুলো হলো-

শহরের অভ্যন্তরে কোরবানির পশুর হাট না বসানো; খোলা ময়দানে পশুর হাট বসাতে হবে, যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব; পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি এবং অসুস্থ ব্যক্তির পশুর হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকা; পশুর হাটে প্রবেশ ও বাইরে পৃথক রাস্তা রাখা; পশুর হাটে আগমনকারী সকল ব্যক্তি মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক; কোরবানির পশু বাড়িতে জবাই না করে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্থানে করা; অনলাইনে অর্ডারের মাধ্যমে বাড়ির বাইরে কোরবানি দেয়া সম্ভব হলে তা করার জন্য উৎসাহিত করা।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার সংখ্যা ও মান উন্নয়নের জন্য পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা বেশি প্রয়োজন। এক্সট্রাকশন মেশিনের সহযোগিতায় পরীক্ষাগারে পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্ভব। বিভিন্ন পর্যায় থেকে দক্ষ জনশক্তিকে পরীক্ষাগারে নিয়োগ দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়।

 

পরবর্তীতে কোনো স্থানে করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যার সৃষ্টি থাকে সেসব স্থানকে ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেয়া হয়। করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেয়া থেকে পরীক্ষার ফলাফল পর্যন্ত সময় কমানো প্রয়োজন।

 

করোনা পরীক্ষার তথ্য দেরিতে পৌঁছালে আইসোলেশন ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

Related Post