SLOT

Bangladesh Tours & Travel first online News Paper : Bangladesh Tour spot news, embassy news, hotel news, Air lines news
 

কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল-মোটেল খুলছে আজ

Aug-17, 2020 বিডি ট্রাভেল নিউজ ডেস্ক পর্যটন কেন্দ্রের খবর

মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও হোটেল-মোটেলসহ কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো শর্তসাপেক্ষে সীমিত আকারে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। ৫ আগস্ট কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের

এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

কক্সবাজারের পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো খুলে দিতে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান জাহিদ খানের নেতৃত্বে হোটেল-মোটেল ও পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ১ আগস্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।

করোনাভাইরাসের কারণে কক্সবাজার জেলা করোনাভাইরাস রোধ সংক্রান্ত কমিটির সিদ্ধান্তে গত ১৮ মার্চ থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও হোটেল-মোটেলসহ জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। এরপর লকডাউন ও সাধারণ ছুটি ঘোষণার সময়সীমা শেষ হলেও ১৬ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ ছিল পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এতে দীর্ঘ সাড়ে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রখ্যাত সাগরতীরের কক্সবাজারে বন্ধ রয়েছে পর্যটকদের আনাগোনা।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান জাহিদ খান বলেন, ‘নির্দিষ্ট কিছু শর্তে সীমিত আকারে সমুদ্রসৈকত ও হোটেল-মোটেলসহ কক্সবাজার পৌর এলাকাকেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে জেলার অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলো পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত আপাতত বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, এর আগে করণীয় নির্ধারণে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিনোদন কেন্দ্রগুলো চালু করতে নীতিমালা তৈরি করেছে। এতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে পর্যটন কেন্দ্রগুলো চালু করা যায় সেটির নির্দেশনা রয়েছে। কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দিতে সেক্টরভিত্তিক এসব নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। এতে প্রতিটি সেক্টরের জন্য আলাদা করে কিছু শর্ত আরোপের কথা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন কারা করবে, সেটিও উল্লেখ রয়েছে। এগুলো যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা তদারকি করবেন।

স্বাস্থ্যবিধিসহ নির্দেশনার অন্যান্য শর্তাবলি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রশাসনের নেয়া সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। পাশাপাশি জীবিকার চেয়ে জীবন আগে—এ কথাও সর্বাগ্রে বিবেচনায় আনতে হবে।

তাই প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধিসহ যেসব নীতিমালা ও নির্দেশনা ঠিক করেছে, তা পরিপূর্ণভাবে প্রতিপালন ও বাস্তবায়নে প্রশাসন এবং সব অংশীজনকে সচেষ্ট হতে হবে। তাহলেই কক্সবাজারকে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা যাবে।

Related Post